• Breaking News

    Thursday, November 2, 2017

    মাসে ৯০০ রুপিতে হীরা! -ভারতে খুচরা ক্রেতাদের জন্য নতুন বিনিয়োগ প্রকল্প

    ভারতের সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের হীরার গয়না কেনার স্বপ্ন পূরণে নতুন একটি বিনিয়োগ কর্মসূচি বা স্কিম নিয়ে আসছে দ্য ইন্ডিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বা আইসিইএক্স নামের একটি সংস্থা। এ স্কিম চালু হলে মাসে ৯০০ রুপি জমা দিয়েই গ্রাহকেরা হীরা কিনতে পারবেন। অর্থ জমা দেওয়া চালিয়ে যেতে হবে মোটামুটি দুই থেকে আড়াই বছর।
    আইসিইএক্সের এক বিনিয়োগ প্রকল্প ভারতের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ডের (এসইবিআই) অনুমোদন পেয়েছে। ভারতীয় পত্রিকা ইকোনমিক টাইমস-এর গত সোমবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিগগিরই আইসিইএক্স এই বিনিয়োগ কর্মসূচি চালু করবে, যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা এসআইপি বলা হচ্ছে।
    হীরা কেনায় বিনিয়োগ করতে গ্রাহককে আইসিইএক্সের সদস্য একটি ব্রোকারেজ হাউসে একটি হিসাব খুলতে হবে, ঠিক যেভাবে শেয়ার ব্যবসা করতে ব্রোকারেজ হাউসে হিসাব খুলতে হয়। আইসিইএক্স গ্রাহককে বিভিন্ন আকারের হীরা বিক্রির প্রস্তাব দেবে। সেটা ৩০ সেন্ট, ৫০ সেন্ট বা ১০০ সেন্টের (১ ক্যারেট) হতে পারে। এখনকার হিসাবে একটি ৩০ সেন্টের হীরার দাম ২৭ হাজার রুপি। মাসে ৯০০ রুপি করে জমা দিলে গ্রাহক আড়াই বছরে ওই আকারের একটি হীরার মালিক হতে পারবেন।
    আইসিইএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সনজিৎ প্রসাদ ইকোনমিক টাইমসকে বলেন, সাধারণভাবে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে কখনো হীরা ছিল না। বিনিয়োগকারীরা দুটি জিনিস চায়, মুনাফা ও বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ। এ দুটি বিষয়ের ক্ষেত্রে হীরা অনুকূল পণ্য নয়। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে হীরার দাম বাড়েনি। আনুষ্ঠানিক পুনরায় বিক্রির বাজার না থাকায় তারা তা বিক্রি করে বেরিয়ে যেতেও পারেনি। ডায়মন্ড ইনডেক্স এ অসুবিধা দূর করবে।
    পণ্য বাজারভিত্তিক ডিভাইন সলিটেয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিগনেশ মেহতা বলেন, ‘আপনি কখনোই লাভের আশায় হীরা কিনবেন না। এ বিনিয়োগ স্কিমে আপনি যোগ দেবেন ২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীকে একটি হীরার গয়না কিনে দেওয়ার জন্য।’
    ইকোনমিক টাইমস বলছে, ইন্ডিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে হীরা কেনাকাটা হবে পাইকারি দরে, যা খুচরা বাজারদরের চেয়ে প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ কম। খুচরা বাজারের ১ লাখ রুপির হীরা ইন্ডিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ৭৫ হাজারে মিলতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে।

    No comments:

    Post a Comment

    Fashion

    Beauty

    Culture